উপাধ্যক্ষের বার্তা

পদ্মার রূপালী জল আর উর্বর পলির অতি আদরে লালিত ঢাকা বিভাগের একটি অন্যতম জেলা শরীয়তপুর। প্রকৃতি তার আপন ক্রোড়ে মমতায় ধারণ করে রেখেছে এ ক্ষুদ্র জনপদটিকে। শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চায় সকল সংকীর্ণতাকে পশ্চাতে ফেলে অগ্রগামী এ জেলা। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা, জ্ঞানের মন্ত্রে দীক্ষিত করার পেছনে যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজ (সাবেক-শরীয়তপুর সরকারি কলেজ)। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন শিক্ষা ব্যবস্থায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন, রূপকথার সোনার কাঠির ন্যায় সে স্পর্শ এসে লেগেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজে। শিক্ষার্থীদের মেধা-সততা-নৈতিকতা ও মানস গঠনে প্রতিষ্ঠানটি সর্বাত্মক ভূমিকা রেখে চলেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে কলেজটির ভূমিকা অগ্রণী। কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি একাডেমিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির ধারাকে আমরা অব্যাহত রেখেছি। ইতোমধ্যে একই সময়ে নির্বিঘ্নে দুই হাজার শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার মতো সক্ষমতা আমরা অর্জন করেছি। কলেজের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কলেজ ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার আওতায় এনেছি। দূরদূরান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সমাধানে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। উল্লেখ্য, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)-তে কলেজটি ঢাকা অঞ্চলে চতুর্থ স্থান অধিকার করে দেশবাসীর কাছে তার নাম উজ্জ্বল করেছে। ব্যক্তি থাকবে না প্রতিষ্ঠান থাকবে- এ ধারা অব্যাহত থাকলে আশা করি কলেজটি আধুনিক জ্ঞানচর্চার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হতে পারবে।


ধন্যবাদান্তে

প্রফেসর মিজানুর রহমান
উপাধ্যক্ষ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজ, শরীয়তপুর।